• ২৪ ফাল্গুন ১৪৩২, রবিবার ০৮ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Order

রাজ্য

নির্ধারিত দিনেই SSC-এর পরীক্ষা, দাগিরা সুযোগ পেলে 'ফল' ভুগবে রাজ্য, জানাল সুপ্রিম কোর্ট

বেআইনি নিয়োগ-কেলেঙ্কারির কারণে দাগি (অযোগ্য) প্রার্থীরা স্কুল সার্ভিস কমিশনের (SSC) আসন্ন শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ না করার স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। পাশাপাশি, নিয়োগ পরীক্ষার নির্ধারিত দিন ৭ ও ১৪ সেপ্টেম্বর বজায় রেখে পরীক্ষা বাধা ছাড়াই সম্পন্ন করতে সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সঞ্জয় কুমার এবং বিচারপতি সতীশচন্দ্র শর্মার বেঞ্চ স্পষ্ট করে জানিয়েছে, এক জন দাগি অযোগ্য প্রার্থীও যেন পরীক্ষায় বসতে না পারে তা নিশ্চিত করা SSC কর্তৃপক্ষের প্রধান দায়িত্ব ।SSC-এর আইনজীবী জানিয়েছিলেন, প্রায় ১,৯০০ জন প্রার্থী দাগি বা অযোগ্য হিসেবে অর্ন্তভুক্ত ।সুপ্রিম কোর্ট SSC-কে এক সপ্তাহের মধ্যে (৭ দিনের মধ্যে) অযোগ্য প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করার নির্দেশ দেয়; তা না হলে SSC-কে ফল ভোগ করতে হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেয়।কলকাতা হাইকোর্ট আগেই দাগি প্রার্থীদের নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া থেকে বাদ দেওয়ার নির্দেশ দেন, যা upheld হয় ডিভিশন বেঞ্চের মাধ্যমে ।একই সঙ্গে এদিন আদালত জানিয়েছে, অযোগ্যদের পুনরায় সুযোগ দেওয়ার SSC ও রাজ্য সরকারের যুক্তিও দ্বিগুণ শাস্তির সমতুল্য হবে। আদালত ত আরো জানিয়েছে, সমাজে প্রতারণার জন্য কোন স্থান নেই।স্কুল সার্ভিস কমিশনের নতুন শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার তারিখ ৭ ও ১৪ সেপ্টেম্বর। অন্যদিকে, এসএসসির আইনজীবী এদিন জানিয়েছেন দাগী প্রার্থীর সংখ্যা প্রায় ১,৯০০ জন।SSC-কে সেই নামের তালিকা প্রকাশ করতে নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত।বিধি লঙ্ঘনের ফল SSC-কে ভোগ করতে হবে বলেও এদিন স্পষ্ট ভাবে জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের এই বক্তব্যের পর এসএসসি-র তরফে আইনজীবী জানিয়েছেন, সম্ভব হলে আগামীকাল অর্থাৎ শনিবারই দাগিদের নামের তালিকা প্রকাশ করা হতে পারে।সুপ্রিম কোর্টের এই নির্দেশে স্পষ্ট যে, নিয়োগে স্বচ্ছতা ও ন্যায়পরায়ণতা নিশ্চিত করতে দাগি প্রার্থীরা কোনোভাবেই পরীক্ষায় বসতে পারবে না, এবং নিয়োগ প্রক্রিয়া সময়মতো, আইনগত ও নৈতিক মানদণ্ড অনুসারে সম্পন্ন করতে হবে।

আগস্ট ২৯, ২০২৫
রাজ্য

প্রতিবেশী নাবালিকাকে ধর্ষণের দায়ে কুড়ি বছরের জেল ও নগদ জরিমানার আদেশ কালনা কোর্টের

প্রতিবেশী দশ বছরের এক নাবালিকাকে ধর্ষণের দায়ে এক যুবকের বিরুদ্ধে কুড়ি বছরের জেল এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায় আরও ছয় মাস জেলের সাজা ঘোষণা করল আদালত। শুক্রবার কালনা অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা আদালতের বিচারক সুধীর কুমার এই সাজা ঘোষণা করেন। সাজাপ্রাপ্ত সুব্রত হালদারের বাড়ি কালনা থানার সাতগাছি গ্রাম পঞ্চায়েতের সুভাষপল্লী গ্রামে।গত ২০২০-র ১৪ ই অক্টোবর সন্ধ্যাবেলায় প্রতিবেশী ওই নাবালিকা মুদিখানা দোকানে গিয়েছিল। ফেরার পথে আসামি সুব্রত হালদারের সঙ্গে ওই নাবালিকার দেখা হয়। সুব্রত একটা মোবাইল দেখিয়ে নাবালিকাকে বলে চার্জ ফুরিয়ে গেছে, তুই এটা বাড়িতে দিয়ে আয়। সরল বিশ্বাসে মেয়েটি তার বাড়িতে মোবাইল পৌঁছে দিতে গেলে সুব্রতও চুপিসারে পিছন পিছন বাড়ি ফিরে আসে। নিজের বাড়ির ভিতরে পেঁপে গাছ তলায় তাকে ধর্ষণ করে।বাড়ি ফিরে নাবালিকা বাড়িতে গিয়ে কাঁদতে কাঁদতে তার মাকে সব খুলে বললে পরিবার তরফে কালনা থানায় অভিযোগ লিপিবদ্ধ করা হয়। কালনা থানার পুলিশ সুব্রত হালদারকে গ্রেফতার করে তার বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৭৬ এ বি এবং পস্ক আইনের ৪ উপ-ধারায় মামলা রজু করে। এই মামলার তদন্তকারী অফিসার ছিলেন পুলিশ অফিসার সোমনাথ নস্কর। এই মামলায় তদন্তকারী অফিসার সহ ১৬ জনের সাক্ষ্যদানের পর বৃহস্পতিবার অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়।কালনা অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা আদালতের বিচারক সুধীর কুমার শুক্রবার তাকে কুড়ি বছর জেল এবং দশ হাজার টাকা জরিমানার রায় ঘোষণা করেন। অনাদায় আরও অতিরিক্ত ছয় মাসের জেলের সাজা দেন। সরকারি আইনজীবী মলয় পাঁজা বলেন, এই মামলার রায়ে সমাজে একটা বার্তা পৌঁছালো যে, নাবালিকার উপর অত্যাচার করলে তার পরিণতি এটাই হবে। তবে নির্যাতিতা ওই মহিলা কেস চলাকালীন আত্মহত্যা করেন এই ঘটনার চাপ সহ্য করতে না পেরে। যদিও তার আগেই এই কেসের তদন্ত প্রক্রিয়া শেষ হয়ে গিয়েছিল। নির্যাতিতা নাবালিকার মা এদিন শুক্রবার কালনা আদালত চত্বরে কান্নায় ভেঙে পড়েন। তিনি বলেন আমার মেয়ে বেঁচে থাকলে আমি আজ আরও খুশি হতাম।

আগস্ট ২৬, ২০২২
দেশ

রাষ্ট্রদ্রোহ আইন নিয়ে সুপ্রিম রায়, তোলপাড় রাজনৈতিক মহল

রাষ্ট্রদ্রোহ আইন নিয়ে অন্তর্বর্তী রায় দিয়ছে সুপ্রিম কোর্ট। বুধবার দেশের সর্বোচ্চ আদালত রাষ্ট্রদ্রোহ আইনের শুনানিতে বলেছে, কেন্দ্র পুনর্বিবেচনা না করা পর্যন্ত এই আইনে নতুন কোনও মামলা নয়। কেন্দ্রীয় সরকার যত দিন না ১২৪ এ ধারায় রাষ্ট্রদ্রোহ আইন পুনর্বিবেচনা করছে ততদিন পর্যন্ত এই ধারায় কোনও মামলা করা যাবে না। সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ের পর শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলে। একদিকে বিজেপি রাষ্ট্রদ্রোহ আইন থাকা নিয়ে গলা ফাটাচ্ছে অন্যদিকে কংগ্রেস-সহ বিরোধী দলগুলি ওই আইন তুলে দেওয়া নিয়ে জোরালো দাবি তুলেছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলি তো এই আইন পুরোপুরি তুলে দেওয়ার দাবি জানিয়েছে।এদিন রাষ্ট্রদ্রোহ আইনের শুনানি ছিল। সেই শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট কেন্দ্র এবং রাজ্যগুলিকে এই ধারায় কোনও এফআইআর, তদন্ত বা কড়া পদক্ষেপ করা থেকে বিরত থাকতে বলেছে। আদালতের রায়কে স্বাগত জানিয়েছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। তিনি টুইটে বলেছেন, সত্যি কথা বলা সব সময় দেশভক্তির পরিচয় দেয়। আর সত্যি কথা শোনার ক্ষমতা রাখা কর্তব্যের মধ্যে পড়ে। সত্যকে অস্বীকার করা ঔদ্ধত্যের লক্ষ্মণ। কাজেই এই নিয়ে ভয় পাওয়ার কিছু নেই, সত্যের জয় হবেই। এর পাশাপাশি তৃণমূল কংগ্রেস নেতা সুখেন্দুশেখর রায় এদিন বলেছেন, রাষ্ট্রদ্রোহ আইন তুলে দেওয়া উচিত।এদিনের রায়ে চাপে পড়ে গিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বিজেপি নেতা কিরণ রিজিজু বলেছেন, একটা বিষয় আমাকে অবশ্যই বলতে হবে, আমরা আদালত এবং আদালতের স্বাধীনতাকে সম্মান করি, তবে তার একটি লক্ষ্মণ রেখা রয়েছে। উষ্মা প্রকাশ করেছেন রাজ্য বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য।এদিকে মানবাধিকার সংগঠনগুলি বহুকাল থেকেই এই আইন তুলে দেওয়ার পক্ষে আন্দোলন করে চলেছে। তারাও আপাতকালীন এই রায়কে স্বাগত জানিয়েছে। তাঁরা চাইছেন সম্পূর্ণভাবে যেন এই আইন তুলে দেওয়া হয়। ব্রিটিশরা নেই অথচ তাঁদের আইন বইছে দেশ। খোদ ইংল্যান্ডে এই আইন তুলে দেওয়া হয়েছে। ঔপনিবেশিক শাসনমুক্ত বেশিরভাগ দেশ এই আইন তুলে দিয়েছে।

মে ১১, ২০২২
রাজ্য

বামেদের আইন অমান্য আন্দোলনে পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে ধুন্ধুমার কান্ড বর্ধমান শহরে

পূর্ব বর্ধমান জেলা বামপন্থী গণসংগঠণের ডাকে আইন অমান্য ঘিরে প্রবল উত্তেজনা ছড়ালো বর্ধমান শহরে। মঙ্গলবার দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, বেকারত্ব সহ একাধিক দাবীতে আইন অমান্যর ডাক দেয় জেলার বামপন্থী গণসংগঠনসমূহ। বর্ধমান রেল স্টেশন থেকে মিছিল করে এসে কার্জনগেটে আইন অমান্য করে তারা। কার্জনগেটে পুলিশের একটি ব্যারিকেড ভেঙে দেয় তারা। দ্বিতীয় ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা হলে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের আটক করে। কর্মসূচিতে ছিলেন সিপিএম নেতা অমল হালদার, সৈয়দ হোসেন,তাপস সরকার সহ অন্যান্যরা বামপন্থী নেতৃত্বরা। অমল হালদার জানান, আমরা একটার পর এক ব্যারিকেড ভেঙে আমাদের আইন অমান্য আন্দোলন করলাম, কিন্তু আইন অমান্য যে করছি! আমাদের দেশে কি আদও আইন বলে কিছু আছে? আনিশ খান মারা গেলো, বর্ধমানে তুহিনা বলে এক ছাত্রী মারা গেলো। আরও অবাক ব্যাপার সেই ছাত্রীর আত্ম্যহত্যায় প্রোরচনা দেওয়া আসামী এসডিও-র কাছে শপথ বাক্য পড়ে এলেন। তিনি মনে করেন এই মুহূর্তে আমাদের দেশে আইনের শাসন বলে কিছু নেই।তিনি আরও বলেন, সোমবার রাতে রামপুরহাটে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক গণহত্যায় প্রায় ১০ জনকে পুড়িয়ে মারা হয়। একজন তৃণমূল পরিচালিত পঞ্চায়েতের উপ-প্রধান-র হত্যার বদলি ১০ টি তাজা প্রান চলে গেলো। তিনি জানান আজকের এই আইন অমান্য ২৮ ও ২৯ তারিখের ধর্মঘট কে সফল করার জন্য। ১২ দফা দাবী নিয়ে এই ২৮ ও ২৯ ফেব্রুয়ারি বামজোট এই সাধারণ ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন। সাধারণ মানুষকে দেশের এই ভয়াবহ দুর্দিনে এগিয়ে এসে ধর্মঘটে সামিল হওয়ার আহ্বান জানান।অমল হালদার আক্ষেপের সুরে বলেন সারা দেশে একের পর এক রাষ্টায়ত্ত কল কারখানা বন্ধ হচ্ছে। হু হু করে বেকারত্বের সংখ্যা বাড়ছে। বিভিন্ন রাষ্টায়ত্ত কল কারখানা বেসরকারিকরন ও বিলগ্নিকরন হচ্ছে। মানুষ তাঁর ফসলের ন্যায্য মুল্য পাচ্ছে না। ক্ষেত মজুরদের কাজ বন্ধ সহ একাধিক দাবী তোলেন এই আইন অমান্য আন্দোলন থেকে।রামপুরহাট কান্ড নিয়ে বীরভূমের অবিসংবাদিত তৃণমূল নেতা অনুব্রত-র মন্তব্য নিয়ে সংবাদ মাধ্যমের প্রশ্নের উত্তরে বাম নেতা আমল হালদার জানান, অনুব্রত যা বলেছেন তা তিনি বিশ্বাস করেন না, কারন একটা বাড়িতে টিভি ফেটে আগুন লাগতে পারে, পর পর ১০-১২ টা বাড়িতে একসাথে টিভি ফেটে আগুন লেগে এত মানুষের মৃত্যু! তিনি আক্ষেপ করে বলেন এই পশ্চিমবঙ্গে বর্তমানে কোনও আইন নেই, গোটা পশ্চিমবঙ্গ তছনছ হয়ে গেছে।

মার্চ ২২, ২০২২
বিদেশ

ভারতীয়দের রাতেই খারকিভ ছাড়ার সতর্কবার্তা দিল্লির

যে কোনও মুহূর্তে শুরু হতে পারে রুশ বাহিনীর ফাইনাল অ্যাসল্ট। এই পরিস্থিতিতে ইউক্রেনের খারকিভে থেকে যাওয়া ভারতীয় নাগরিকদের বুধবার সন্ধ্যার (স্থানীয় সময়) মধ্যে এলাকা ছাড়ার জন্য নির্দেশিকা পাঠাল কিভের ভারতীয় দূতাবাস। রাশিয়ার আগ্রাসন শুরু হওয়ার পর থেকে আজ অবধি প্রায় ২ হাজারেরও বেশি নাগরিক মারা গিয়েছেন বলে জানানো হয়েছে ইউক্রেনের কর্তৃপক্ষের তরফে।URGENT ADVISORY TO ALL INDIAN NATIONALS IN KHARKIV.FOR THEIR SAFETY AND SECURITY THEY MUST LEAVE KHARKIV IMMEDIATELY.PROCEED TO PESOCHIN, BABAYE AND BEZLYUDOVKA AS SOON AS POSSIBLE.UNDER ALL CIRCUMSTANCES THEY MUST REACH THESE SETTLEMENTS *BY 1800 HRS (UKRAINIAN TIME) TODAY*. India in Ukraine (@IndiainUkraine) March 2, 2022টুইটারে জারি করা নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, নিরাপত্তার কারণে দ্রুত খারকিভ ছাড়ুন। চূড়ান্ত সময়সীমা সন্ধ্যা ৬টা (আন্তর্জাতিক সময় রাত ৯টা)-র মধ্যে পিসোচিন, ববই বা বেজলিউদিভকা শহরে পৌঁছানো উচিত। প্রয়োজন হলে পায়ে হেঁটে। ইউক্রেনের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর খারকিভের নিকটতম শহর পিসোচিনের দূরত্ব ১১ কিলোমিটার।যদিও খারকিভে আটক ভারতীয় পড়ুয়ারা জানাচ্ছেন, লাগাতার রুশ ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমানহানার মধ্যে পায়ে হেঁটে ১১ কিলোমিটার কার্যত অসম্ভব। প্রসঙ্গত, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে ইতিমধ্যেই কিভের ভারতীয় দূতাবাসও সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। রুশ বোমা এবং ক্ষেপণাস্ত্র হানা এড়াতে সোমবারই খারকিভে আটক ভারতীয়দের ট্রেনে করে ইউক্রেনের পড়শি দেশগুলিতে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। কারণ, গাড়িতে গেলে যুদ্ধবিমানের নিশানা হওয়ার সম্ভাবনা। কিন্তু খারকিভ স্টেশনে আটক বহু ভারতীয় এখনও ট্রেনে উঠতে পারেননি বলে অভিযোগ। প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার খারকিভ শহরেই রুশ বাহিনীর বোমাবর্ষণে ভারতীয় ডাক্তারি পড়ুয়া নবীন শেখারাপ্পা জ্ঞানগউধরের মৃত্যু হয়েছিল।

মার্চ ০২, ২০২২
রাজ্য

খুন ও ছিনতাইয়ের ঘটনায় যুক্ত তিন কুখ্যাত দুস্কৃতীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা

ছিনতাই ও খুনের মামলায় তিন দুস্কৃতীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিল আদালত। পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ার ফাস্ট ট্রাক আদালতর বিচারক রাজশ্রী বসু অধিকারী বৃহস্পতিবার এই সাজা ঘোষণা করেন। পাশাপাশি অভিযুক্তদের ৬ হাজার টাকা করে জরিমানার নির্দেশও দিয়েছেন বিচারক। আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, শাস্তি প্রাপকরা হল নাসিম শেখ, আবু বক্কর ও চন্দন শেখ। এদের প্রত্যেকের বাড়ি কাটোয়া মহকুমার কেতুগ্রামের মহুলা গ্রামে। নিহতের স্ত্রী আদালতের রায়কে স্বাগত জানিয়েছেন। মামলার সরকারি আইনজীবী স্বরোজ দাস জানিয়েছেন, নৃশংস হত্যাকাণ্ডটি প্রায় চার বছর আগে ঘটে। সেই মামলায় ১৪ জন সাক্ষীর বয়ান আদালতে রেকর্ড করা হয়। বিচার প্রক্রিয়া শেষে তিনজন দোষী সাব্যস্ত হয়। এদিন বিচারক অভিযুক্তদের যাবজ্জীবন কারাদন্ডের আদেশ শোনান। মামলার দুই অভিযুক্ত এখনও পলাতক রয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনাটি ঘটে ২০১৮ র ১৪ জুন রাত্রে। ওইদিন দুই বন্ধু কৃষ্ণগোপাল সরকার এবং অনুপম পাত্রকে মুর্শিদাবাদের সালার স্টেশন থেকে বাইকে চাপিয়ে নিয়ে সুখময় মিস্ত্রি কেতুগ্রামের আনকোনা গ্রামের বাড়িতে ফিরছিলেন। পথে কেতুগ্রামের ইছাপুর ও মহুলা গ্রামের মাঝামাঝি রাস্তায় কয়েকজন দুস্কৃতি সুখময় সহ বাইক আরোহীদের উপর ইঁট ও বাঁশ দিয়ে আক্রমণ করে। দুস্কৃতিরা ইঁট দিয়ে মেরে কৃষ্ণগোপাল ও অনুপমকে জখম করে। পরে দুষ্কৃতীরা বাঁশের লাঠি দিয়ে সজোরে সুখময় মিস্ত্রির মাথায় আঘাত করে। তাতে সুখময়বাবুর মৃত্যু হয়। এরপর দুস্কৃতীরা সুখময়বাবুর পকেট থেকে তাঁর মোবাইল ও টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। তা দেখে জখম অবস্থাতেই কৃষ্ণগোপাল ও অনুপম চিৎকার চেঁচামিচি শুরু করে দিলে দুস্কৃতিরা ঘটনাস্থল থেকে চম্পট দেয়। এরপর ১৮ জুন মৃতর স্ত্রী চিত্রা মিস্ত্রি কেতুগ্রাম থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে চিত্রাদেবী পুলিশকে জানান, পারিবারিক সম্পত্তি নিয়ে বিবাদের জেরে সুখময়ের মা করুনাময়ী মিস্ত্রি ও ভাই মৃণ্ময় মিস্ত্রি সুপারি কিলার লাগিয়ে সুখময়কে খুন করিয়েছে। মৃতের স্ত্রীর এমন অভিযোগের তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে সুখময় বাবু মালদায় রেলের এক ঠিকাদার সংস্থায় সুপারভাইজারের কাজ করতেন। সেইজন্য সুখময় তাঁর স্ত্রীকে নিয়ে মালদাতেই থাকতেন। যদিও তদন্ত বেশ খানিকটা এগিয়ে নিয়ে যাবার পর পুলিশ নিশ্চিৎ হয় সম্পত্তি নিয়ে সুখময়েয় পরিবারে কোনও গোলমাল ছিল না ছিনতাইয়ের উদ্দ্যেশেই দুস্কৃতিরারা সুখময়কে খুন করেছে। এরপরেই খুনের ঘটনায় জড়িত দুই কুখ্যাত অভিযুক্তকে পুলিস গ্রেপ্তার করে। পরে মুম্বাই থেকে গ্রেফতার করে চন্দন শেখ নামে অপর দুস্কৃতীকে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২২
কলকাতা

নজিরবিহীন নির্দেশ হাইকোর্টের, ৩৫ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বাকে গর্ভপাতের অনুমতি

৩৫ সপ্তাহের গর্ভবতী এক মহিলাকে গর্ভপাতের অনুমতি দিল হাইকোর্ট। শারীরিক সমস্যার কারণেই এই অনুমতি দেওয়া হয়েছে। বুধবার কলকাতা হাইকোর্ট এই নজিরবিহীন নির্দেশ দিয়েছে। বিচারপতি রাজা শেখর মান্থার বেঞ্চে ছিল এই মামলার শুনানি। গর্ভপাতের জন্য নিজেই আবেদন করেছিলেন ওই মহিলা। তাঁর হয়ে আদালতে সওয়াল করেন আইনজীবী সুতপা সান্যাল। রাজ্য সরকারের পক্ষে সওয়াল করেন আইনজীবী অমিতেশ বন্দ্যোপাধ্যায়। মূলত শারীরিক অবস্থার কথা মাথায় রেখেই এই গর্ভপাতে অনুমোদন দেয়নি রাজ্য সরকার। এরপরই ওই মহিলা আদালতের দ্বারস্থ হন।আদালতের নির্দেশে এ ভাবে গর্ভপাত করানোর ঘটনা নতুন নয়। যদিও ৩৫ সপ্তাহ পর এই অনুমতি অনেকটাই নজিরবিহীন। গর্ভবতী মহিলার সম্মত্তি নিয়েই বুধবার এই নির্দেশ দিয়েছে সিঙ্গল বেঞ্চের বিচারপতি রাজা শেখর মান্থা।উত্তর কলকাতার বাসিন্দা এক মহিলা এই আবেদন জানিয়েছিলেন। বিয়ের পর থেকেই শারীরিক সমস্যা ছিল তাঁর। বেশ কয়েক বছর কেটে গেলেও সন্তান হয়নি তাঁর। অবশেষে অনেক চিকিৎসার পর তিনি গর্ভবতী হন। কিন্তু সন্তান গর্ভে ধারণ করার পর থেকেই শুরু হয় ফের সমস্যা। সময় যত বাড়তে থাকে সমস্যাও তত বাড়তে থাকে।মামলাকারী বর্তমানে ৩৫ সপ্তাহের গর্ভবতী। বহু বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়ে দিয়েছেন শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হতে পারে তাঁর। যদি না এই মুহূর্তে গর্ভপাত করানো হয়, তাহলে মায়ের জীবনের ঝুঁকি দেখা দিতে পারে। গর্ভস্থ সন্তানেরও শারীর সমস্যা রয়েছে। তাই গর্ভপাতের আবেদন নিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন ওই মহিলা।২০২১ সালের গর্ভপাত আইন সংশোধনী অনুযায়ী, ধর্ষিতা, নাবালিকা, শারীরিক বা মানসিক প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে অথবা স্বামী মারা গিয়েছেন বা ডিভোর্স হয়েছে, এমন প্রসূতিদের গর্ভপাত করানো যাবে ২৪ সপ্তাহের মধ্যে। গর্ভস্থ ভ্রূণের বিশেষ ত্রুটি থাকলেও করানো যাবে গর্ভপাত। জীবনের ঝুঁকি থাকলেও এই আইন প্রযোজ্য। সব ক্ষেত্রেই একটি মেডিক্যাল বোর্ড শারীরিক অবস্থা দেখে চূড়ান্ত অনুমতি দেবে। সেই অনুসারেই ৩৪ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকে এদিন গর্ভপাতের অনুমতি দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২২
রাজ্য

Suspended Festival: করোনা আবহে স্থগিত বর্ধমান পৌরসভার বার্ষিক উৎসব

করোনা আবহে আপাতত বর্ধমানে বর্ধমান পৌর উৎসব স্থগিত ঘোষণা করে দিল বর্ধমান পৌরসভা। আবার কবে এই উৎসব হবে তা এখনও জানায়নি পৌর কতৃপক্ষ। জানুয়ারিতেই বর্ধমান পৌর উৎসব হওয়ার কথা ছিল, মেলার জন্য ২২ জানুয়ারি থেকে ৩০ জানুয়ারি দিন ধার্য্য করা হয়েছিল। মেলা পরিচালনা জন্য যোগ্য সংস্থার কাছে থেকে দরপত্র নেওয়ার পদ্ধতিও শুরু হয়ে গিয়েছিল। মেলার বিষয়ে মতামত নেওয়ার জন্য গত ২২ ডিসেম্বর বংশগোপাল টাউন হলে শহরের নাগরিক বৃন্দ ও বিশিষ্ট মানুষদের নিয়ে এক সভা আয়োজন করা হয় বর্ধমান পৌরসভার পক্ষ থেকে।বর্ধমানের উপ-পৌরপ্রশাসক আইনুল হক বলেন, করোনার বিধিনিষেধ জারি রয়েছে রাজ্যে। পরিস্থিতি মোকাবিলা করা খুব জরুরি। আপাতত স্থগিত রাখা হচ্ছে এই উৎসব। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে এ ব্যাপারে চিন্তা-ভাবনা করা যাবে। এই মুহুর্তে মানুষের স্বাস্থ্যই পৌরসভার কাছে মূল প্রাধান্য।এই মুহুর্তে বর্ধমান শহর ও সংলগ্ন বিভিন্ন জায়গায় করোনা আক্রান্তের খবর আসছে। মনে করা হচ্ছে করোনা-র তৃতীয় ঢেউ যেভাবে সারা বিশ্বে আছড়ে পরেছে তাঁর থেকে এই শহরও বাদ যাবে না। উপ-পৌরপ্রশাসক আইনুল হক বলেন, আমাদের সদা সতর্ক থাকতে হবে, মাস্ক না পড়ে বাইরে বেরোবেন না, সামাজিক দূরত্ব মেনে চলতে হবে। শরীর খারাপ বুঝলে পৌর-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন।

জানুয়ারি ০৫, ২০২২
রাজ্য

School Open in Kalna: নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পূর্ব বর্ধমানে বেসরকারি স্কুলে মৌখিক পরীক্ষা, ক্ষুব্ধ প্রশাসন

নতুন করে করোনার সংক্রমণ বাড়ায় রাজ্য সরকার সোমবার থেকে স্কুল কলেজ বন্ধ রাখার নির্দেশিকা জারি করেছে। কিন্তু সেই সরকারী নির্দেশকে উপেক্ষা করে মঙ্গলবার মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হল পূর্ব বর্ধমানের কালনার জিউধরা এলাকার একটি বেসরকারি ইংরাজি মাধ্যম স্কুলে। এই ঘটনা কথা জেনে বেজায় ক্ষুব্ধ হন কালনার মহকুমা শাসক সুরেশ কুমার জগৎ। তিনি ওই ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ করোনাকালে বাড়ি বাড়ি খাবার পাঠাবে রাজ্যকালনার মহিষমর্দিনী গার্লস ইন্সটিটিউশন ও কালনা হিন্দু বালিকা বিদ্যালয়ের কিছু পড়ুয়া এদিন বিদ্যালয়ে এসেছিল প্রজাতন্ত্র দিবসের প্যারেড অনুষ্ঠানে রিহার্সালের জন্য। আবার বই জমা দেওয়ার জন্যও কিছু পড়ুয়া স্কুলে আসে। কিন্তু স্কুল কর্তৃপক্ষ পড়ুয়াদের ফিরিয়ে দেয়। তারই মধ্যে এদিন উল্টো চিত্র ধরা পড়ে কালনার জিউধরার বেসরকারি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে। সরকারি নিয়মকে তোয়াক্কা না করে এই ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে এদিন সকাল সাড়ে ৮টা থেকে একাদশ ও সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দ্বাদশ শ্রেণির মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হয়।

জানুয়ারি ০৪, ২০২২
রাজ্য

Firecrackers Ban: সবরকমের বাজি নিষিদ্ধ করে কী জানাল হাইকোর্ট?

দীপাবলি ও ছটে সব ধরনের বাজি নিষিদ্ধ করল কলকাতা হাইকোর্ট। সব ধরনের বাজিতেই এবার নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে। এমনকী শব্দবাজি না হলেও তা পোড়ানো যাবে না। কোনও ধরনের ফায়ার ক্র্যাকার্সই ব্যবহার করা যাবে না।পরিবেশ বান্ধব সবুজ বাজিও এবার নিষিদ্ধই বলে জানাল আদালত। কালীপুজো, জগদ্ধাত্রী পুজো, ছটপুজোতে কোনওরকম বাজিই ফাটানো যাবে না বলে নির্দেশ আদালতের।শুক্রবার বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্য ও বিচারপতি অনিরুদ্ধ রায়ের অবকাশকালীন বেঞ্চে উৎসবের মরশুমে বাজি পোড়ানো নিয়ে দায়ের হওয়া মামলার শুনানি ছিল। সেখানেই বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, সবুজ বাজি বা গ্রিন ক্র্যাকার্স কোনও রকম ক্ষতি করে না, এমন প্রমাণ মেলেনি। সবুজ বাজি পরীক্ষা সম্ভবও নয়। তাই অতিমারিকে মাথায় রেখে এবং এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের কথা ভেবে এবার পুজোয় সবরকমের বাজিই নিষিদ্ধ করা হল।একই সঙ্গে আদালতের নির্দেশ, বাজি যে ব্যবহার হচ্ছে না সেটা দেখবে রাজ্য। কালীপুজো, দীপাবলি, জগদ্ধাত্রী পুজো, ছটপুজোর পাশাপাশি ক্রিসমাস কিংবা নিউ ইয়ারেও বাজি ব্যবহার চলবে না। তবে অবশ্যই প্রদীপ জ্বালানো যাবে। বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্য ও বিচারপতি অনিরুদ্ধ রায়ের অবকাশকালীন বেঞ্চ এই নির্দেশ দেয়।গতবারও বলা হয়েছিল, বাজিও ফাটানো যাবে না পুজোয়। হাইকোর্টের নির্দেশ ছিল কোনও বাজি বিক্রিও করা যাবে না। অর্থাৎ রাজ্যজুড়ে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল বাজি। কালীপুজো, দীপাবলির পাশপাশি ছটপুজোতেও বাজি ফাটানোয় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল আদালত। এবারও সেই পথেই হাঁটল কলকাতা হাইকোর্ট।

অক্টোবর ২৯, ২০২১
রাজ্য

Weather Emergency: দুর্যোগের আবহে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত ছুটি বাতিল সরকারি কর্মীদের

রাজ্যে সম্ভাব্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় সর্বোচ্চ স্তরের প্রস্তুতি নিতে রাজ্য সরকার প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছে। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে সম্ভাব্য বিপর্যয় মোকাবিলায় একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে রাজ্যের যে তিন আসনে উপনির্বাচন রয়েছে, দুর্যোগের কারণে সেখানে ভোট পর্ব যাতে কোনওভাবেই ব্যাহত না হয়, তা দেখতে বলা হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর।পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য আগামী ৫ অক্টোবর পর্যন্ত সমস্ত রাজ্য সরকারের কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। আরও পড়ুনঃ মহামূর্তি ধারণ করে এগিয়ে আসছে জোড়া দুর্যোগ, আতঙ্কে বঙ্গবাসীমুখ্য সচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী আজ সম্ভাব্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলার প্রস্তুতি নিয়ে দক্ষিণবঙ্গের সব জেলার জেলাশাসক ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের সঙ্গে বৈঠক করেন।সেখানে প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় জমা জল বা ছেঁড়া তার থেকে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে দুর্ঘটনা এবং প্রাণহানি কমাতে সবরকম ব্যবস্থা করার তিনি নির্দেশ দিয়েছেন। এ ব্যাপারে প্রশাসন বা বিদ্যুৎ সরবরাহকারী সংস্থার কাজে গাফিলতি প্রমাণ হলে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে। শহরাঞ্চলে সব বাতিস্তম্ভ ফিডার বক্স গুলির অবস্থা খতিয়ে দেখে সে গুলোকে নিরাপদ করে তোলার জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহকারী সংস্থাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গ্রামাঞ্চলেও দুর্যোগের সময় ওভারহেড তার ছিড়ে দুর্ঘটনা এড়াতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে মুখ্য সচিব জেলাশাসকদের নির্দেশ দেন মুখ্যসচিব। পাশাপাশি ঝড় বৃষ্টির সময় বা জল জমে থাকলে বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবহারে কি কি সর্তকতা প্রয়োজন তা নিয়ে এইসময় নিরন্তর প্রচার চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নবান্নে খোলা হয়েছে ২৪ ঘণ্টার কন্ট্রোল রুম।যে কোনও সমস্যায় টোল ফ্রি নম্বর ১০৭০ তে যোগাযোগ করা যাবে বলে জানানো হয়েছে।কলকাতায় পুলিশ, পুরসভা , সিইএসসি, দমকল, পূর্ত দপ্তরের যৌথ ইউনিফায়েড কমান্ড তৈরি করা হয়েছে। পুলিশ ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর একাধিক দল শহরে মোতায়েন থাকবে। ভবানীপুর একবালপুর কালীঘাট-সহ শহরের মোট পাঁচ জায়গায় বাইশটি দল মোতায়েন থাকবে। এর পাশাপাশি ভারী বৃষ্টিতে শহরের বিপজ্জনক বাড়িগুলি ভেঙে পড়ার আশঙ্কা থাকায় ওই সব বাড়ির বাসিন্দাদের নিরাপদ জায়গায় সরে যেতে অনুরোধ করা হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২১
রাজ্য

Suvendu Adhikari: শুভেন্দুর রক্ষাকবচকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রাজ্য

শুভেন্দু অধিকারীকে গ্রেপ্তার না করার বিষয়ে কলকাতা হাইকোর্টের এক বিচারপতির বেঞ্চের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানাল রাজ্য সরকার। কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে মঙ্গলবার এ সংক্রান্ত আবেদন জানানো হয়েছে। হাইকোর্ট সূত্রে খবর, বুধবার বিচারপতি সুব্রত তালুকদার এবং বিচারপতি কেসাং ডোমা ভুটিয়ার ডিভিশন বেঞ্চে ওই আবেদনের শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।আরও পড়ুনঃ ফের নিম্নচাপের ভ্রুকুটি, চলবে দফায় দফায় বৃষ্টিপাতসোমবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা নির্দেশ দিয়েছিলেন, বিভিন্ন ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত শুভেন্দুকে কোনও অবস্থাতেই গ্রেপ্তার করতে পারবে না পুলিশ। এমনকী, রাজ্যে বিধানসভার বিরোধী দলনেতার বিরুদ্ধে ভবিষ্যতে কোনও এফআইআর হলেও তাঁকে আদালতের অনুমতি ছাড়া গ্রেপ্তার করা যাবে না বলে জানিয়ে দেন বিচারপতি মান্থা। ছসপ্তাহ পরে ফের ওই মামলার শুনানি হওয়ার কথা। কিন্তু তার আগেই ডিভিশন বেঞ্চে বিচারপতি মান্থা নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানাল রাজ্য। শুভেন্দু তাঁর বিরুদ্ধে কলকাতা-সহ রাজ্যের পাঁচটি থানায় দায়ের হওয়া পাঁচটি মামলা প্রসঙ্গে হাইকোর্টে আবেদন জানিয়েছিলেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, হয় মামলাগুলি খারিজ করা হয় অথবা সিবিআই তদন্ত হোক। শুভেন্দুর যুক্তি, প্রতিটি মামলাই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে প্রণোদিত এবং তাঁর রাজ্য পুলিশের উপর কোনও ভরসা নেই। বিচারপতি মান্থা নির্দেশ দেন, শুভেন্দুকে তদন্তে সহযোগিতা করতে হবে। কিন্তু তিনি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। তাই তাঁর মর্যাদার কথা বিবেচনা করেই তদন্তের গতিপ্রকৃতি নির্ধারিত করতে হবে। সিআইডি বা পুলিশ হঠাৎ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করলেই তাঁর পক্ষ হাজির হওয়া সম্ভব না-ও হতে পারে। এরপরই শুভেন্দুর এই রক্ষাকবচকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন জানাল রাজ্য।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২১
শিক্ষা

College Open: মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ অমান্য করেই খুলে গেল বর্ধমানের কলেজ

রাজ্যে এখনও জারি রয়েছে কোভিড বিধি। ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কোভিড বিধি জারি থাকায় বন্ধ রয়েছে সমস্ত স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়।পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তবেই পুজোর পর রাজ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালু করা হবে বলে মুখ্যমন্ত্রী ইতিমধ্যেই ঘোষণা করেছেন।মুখ্যমন্ত্রী এমনটা ঘোষনা করলেও বূহস্পতিবার থেকে খুলে গেল বর্ধমানের এম বি সি ইনস্টিটিউট অফ ইঞ্জিনিয়ারিং এণ্ড টেকনলোজি। অফলাইনে ক্লাস চালু করার কথা ১ সেপ্টেম্বর ছাত্রছাত্রীদের Whatsapp গ্রুপের মাধ্যমে কলেজ চালুর কথা জানিয়ে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ছাত্রছাত্রীদের ক্লাস করার জন্য এদিন কলেজে আসতেও বলা হয়। সেই নির্দেশ পেয়ে এদিন সকাল থেকেই বেশ কয়েকজন ছাত্রছাত্রী ক্লাস করতে কলেজে উপস্থিত হয়। যেসব পড়ুয়া দূরবর্তী এলাকার বাসিন্দা তাঁরাও কলেজ কর্তৃপক্ষের নির্দেশ পেয়ে এদিনই কলেজ হোস্টেলে পৌঁছে যায়। পরে তাঁরা জানতে পারে কলেজ কর্তৃপক্ষ হস্টেল ও ক্যান্টিন খোলার কোন অনুমতি দেয়নি।পড়ুয়া রামকৃষ্ণ কর্মকার, বিকাশ মাণ্ডি এদিন বলেন, সমস্ত পরিষেবা স্বাভাবিক করার সিদ্ধান্ত নিয়ে কলেজ খুললে ভাল হত। তাহলে সকল ছাত্রছাত্রী একসঙ্গে কলেজে আসতে পারতো।বিধিনিষেধের কারণে সব পরিষেবা স্বাভাবিক না হওয়ায় এদিন তাঁদের কলেজ খুললেও অল্পসংখ্যক ছাত্র নিয়েই পঠন-পাঠন শুরু করতে হল কলেজ কতৃপক্ষকে।রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পুজোর পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চালু হতে পারে বলে জানিয়ে দিলেও এম বি সি ইনস্টিটিউট অফ ইঞ্জিনিয়ারিং এণ্ড টেকনলোজি একদিনের নোটিসে কীভাবে এদিন থেকে তাঁদের প্রতিষ্ঠান চালু করলো তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এই বিষয়ে কলেজের ইনচার্জ উৎপল সামুইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি কোনও কথা বলতে অস্বীকার করেন। জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা জানান, বিষয়টি তাঁর জানা নেই। তিনি খোঁজ নিয়ে দেখবেন বলে জানান।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২১
রাজ্য

Post Poll violence: সিবিআই তদন্তের নির্দেশকে সুপ্রিম কোর্টে চ্যালেঞ্জ রাজ্যের

ইঙ্গিত ছিলই। সেই মতো ভোট পরবর্তী হিংসার মামলায় হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হল রাজ্য সরকার। সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রে খবর, বুধবারই এই চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করা হয়েছে। হাইকোর্ট যেভাবে খুন ও ধর্ষণের মামলায় সিবিআই-কে দিয়ে, ও অন্যান্য হিংসা মামলাগুলি সিটকে দিয়ে তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছে, তাতে মোটেও সন্তুষ্ট নয় রাজ্য সরকার। বলা ভাল, হাইকোর্টের রায়ে যেভাবে রাজ্য ধাক্কা খেয়েছে, তাতে বেজায় অসন্তুষ্ট খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যে কারণে যাবতীয় জল্পনা সত্যি করেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে রাজ্য।আরও পড়ুনঃ রাজ্যে শিল্প বিনিয়োগের লক্ষ্যে পানাগড়ে একাধিক বড় ঘোষণা মমতারহাইকোর্টের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রাজ্য যে সুপ্রিম কোর্টে যাবে, তা একপ্রকার অবশ্যম্ভাবী ছিল। তৃণমূল নেতৃত্বও তেমনই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। যদিও এতে খুব একটা লাভ হতে পারে, এমন কোনও সম্ভাবনা দেখছে না আইনজীবী মহল। কারণ, ভোট পরবর্তী হিংসার রায় ঘোষণার সময় বেঞ্চের পাঁচ বিচারপতির পর্যবেক্ষণ ভিন্ন হয়েছিল ঠিকই, কিন্তু একটি বিষয়ে সকলেই সহমত হন। তা হল- খুন ও ধর্ষণের মতো অপরাধের তদন্ত যেন সিবিআই দ্বারা করা হয়। ঠিক এই জায়গাতেই সুপ্রিম কোর্টে গেলেও রাজ্যের আপত্তি ধোপে নাও টিকতে পারে। শীর্ষ আদালতও হাইকোর্টের রায়ই বহাল রাখার নির্দেশ দিতে পারে বলে মনে করছেন আইনজ্ঞরা। যদিও রাজ্য সরকারের আগাগোড়াই সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার বিষয়ে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিল। ফলে আজকের সিদ্ধান্ত যে একেবারেই অপ্রত্যাশিত নয়, সেটা বলাই যায়।রাজ্য সরকার যদিও প্রথম থেকে বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসার কথা অস্বীকার করে এসেছে। কিন্তু হাইকোর্ট নিজের রায়ে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের রিপোর্টকেই মান্যতা দিয়েছে, সেটা দিনের আলোর মতো স্পষ্ট। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইকে যাবতীয় খুন ধর্ষণের তদন্তভার তুলে দেওয়া হলেও গোটা বিষয়টির উপর আদালতের কড়া নজর থাকবে বলে জানা গিয়েছে।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Dilip Vengsarkar : লর্ডসে বেঙ্গসরকারের অনন্য নজির আজও অমিল

লর্ডস টেস্টে দুর্দান্ত পারফরমেন্স করে চমকে দিয়েছে বিরাট কোহলির ভারত। ২০০৩ সালে এই লর্ডসেই ন্যাটওয়েস্ট ট্রফি জিতেছিল সৌরভ গাঙ্গুলির টিম ইন্ডিয়া। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর মহারাজের ঔদ্ধত্য অবাক দৃষ্টিতে দেখেছিল গোটা ক্রিকেট বিশ্ব। কিন্তু লর্ডসে দেশের টেস্ট জয়ের শুভ সূচনার নায়ক কে জানেন? দিলীপ বেঙ্গসরকার। তাঁর হাত ধরেই লর্ডসে টেস্টে ভারতের প্রথম জয়ে এসেছিল ১৯৮৬ সালে। দিলীপ বেঙ্গসরকার এমন একটা কৃতিত্ব লর্ডসে স্থাপন করেছেন, আজও অমিল হয়ে আছে।আরও পড়ুনঃ জয় দিয়ে এএফসি কাপ অভিযান শুরু করল এটিকে মোহনবাগান১৯৮৬ সালে লর্ডস টেস্টে ডেভিড গাওয়ারের ইংল্যান্ড প্রথম ইনিংসে তুলেছিল ২৯৪। জবাবে ভারত তুলেছিল ৩৪১। দিলীপ বেঙ্গসরকার ১২৬ রানে অপরাজিত ছিলেন। দ্বিতীয় ইনিংসে ১৮০ রানে গুটিয়ে যায় ইংল্যান্ড। ভারতের সামনে জয়ের জন্য লক্ষ্য ছিল ১৩৪। ৫ উইকেট হারিয়ে ৪২ ওভারে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় ভারত। সর্বোচ্চ ৩৩ রান করেন বেঙ্গসরকার। লর্ডসে ভারতের প্রথম টেস্ট জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন এই মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান। সেই জয়ের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, ১৯৮৬ সালে লর্ডস টেস্টের শেষদিনে চতুর্থ ইনিংসে জয়ের জন্য আমাদের দরকার ছিল ১৩৪। দ্রুত ৫ উইকেট পড়ে গেলেও আমরা ৪২ ওভারে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে গিয়েছিলাম। ওই জয়টা আমাদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কারণ ওটাই ছিল লর্ডসে দেশের প্রথম টেস্ট জয়।আরও পড়ুনঃ কলকাতা লিগে দুর্দান্ত শুরু মহমেডানের, নায়ক সার্বিয়ান নিকোলালর্ডস অনেক কীর্তির সাক্ষী। অনেক রেকর্ড এই মাঠে হয়েছে। আবার ভেঙেছে। কিন্তু দিলীপ বেঙ্গসরকার যে রেকর্ড লর্ডসে গড়েছেন, আজও অমলিন হয়ে রয়েছে। লর্ডসে টানা তিনটি সেঞ্চুরি করার অনন্য নজির রয়েছে বেঙ্গসরকারের। ১৯৭৯ সালে তিনি প্রথম লর্ডসে সেঞ্চুরি করেন। লর্ডসে পরের টেস্ট খেলেন ১৯৮২ সালে। সেই টেস্টেও সেঞ্চুরি করেছিলেন বেঙ্গসরকার। ১৯৮৬র সিরিজেও লর্ডসের প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি করেছিলেন। এখনও পর্যন্ত কোনও ব্যাটসম্যান লর্ডসে টানা তিনটি সেঞ্চুরি করতে পারেননি।আরও পড়ুনঃ হিন্দোলের তবলার দোলায় মাতোয়ারা শিকাগোচলতি সিরিজে ভারতীয় বোলিং সংস্কৃতির পরিবর্তন দেখে মুগ্ধ দিলীপ বেঙ্গসরকার। পরপর দুটি টেস্টে ভারতীয় জোরে বোলিংয়ের বিপ্লব হিসেবে দেখে মুগ্ধ দেশের এই প্রাক্তন অধিনায়ক। তিনি বলেছেন, এই প্রথম আমরা চারজন জোরে বোলার নিয়ে টেস্ট খেললাম। আগে আমরা কখনও এই ধরনের বোলিং কম্বিনেশনের কথা চিন্তাভাবনা করিনি। ১৯৭৯ সালে ইংল্যান্ডে আমি যখন প্রথমবার বিশ্বকাপ খেলি, তিনজন স্পিনার নিয়ে মাঠে নেমেছিলাম। এখন মানসিকতার বদল ঘটেছে। চারজন জোরে বোলার খেলানোর পরিকল্পনা কাজে দিয়েছে। লর্ডস টেস্টে ইংল্যান্ডের ২০টা উইকেটের মধ্যে ১৯টা তুলে নিয়েছে জোরে বোলাররা।

আগস্ট ১৮, ২০২১
রাজ্য

Court Order: আদালতের নির্দেশ ছাড়া উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগ নয়

উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগ নিয়ে বিশেষ নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। ইন্টারভিউ চললেও আদলতের নির্দেশ ছাড়া উচ্চপ্রাথমিকে নিয়োগ নয়। কলকাতা হাইকোর্টের অনুমতি ছাড়া উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগপত্র দেওয়া যাবে না। মঙ্গলবার এই নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। ওই নির্দেশে ডিভিশন বেঞ্চ বলেছে, ইন্টারভিউ লিস্ট অনুযায়ী ইন্টারভউ নিতে হবে। চাকরি প্রার্থীদের অরিজিনাল মার্কশিট আদালতে দিতে হবে। অভিযোগকারী প্রার্থীদের তথ্য ভান্ডার গড়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। সমস্ত বিষয়টি খতিয়ে দেখবে হাইকোর্ট। তারপর নিয়োগ নিয়ে অনুমতি দেওয়া হবে।আরও পড়ুনঃ উচ্চ প্রাথমিকের নিয়োগে স্থগিতাদেশএদিকে ১৯ জুলাই থেকে উচ্চ প্রাথমিকে ইন্টারভিউ নেওয়া শুরু হয়েছে। চলবে ৪ অগাস্ট পর্যন্ত। প্রায় সাড়ে ১৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগ করবে রাজ্য সরকার।

জুলাই ২০, ২০২১
কলকাতা

High Court: কাঁকুড়গাছিতে নিহত বিজেপি কর্মীর ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ হাইকোর্টের

বিধানসভা নির্বাচনের ফলপ্রকাশের দিন কাঁকুড়গাছিতে হিংসায় মৃত্যু হয় বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকারের। এবার অভিজিৎ সরকারের ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। সাত দিনের মধ্যে মুখবন্ধ খামে তা জমা দেওয়ার জন্য রাজ্য প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।আরও পড়ুনঃ ভ্যাকসিনে ভাটা, বন্ধ হচ্ছে দিল্লির একাধিক টিকাকেন্দ্রভোট পরবর্তী হিংসায় নিহত বিজেপি কর্মী অভিজিতের দেহ শনাক্ত করা যায়নি বলে হাইকোর্টে অভিযোগ জানিয়েছিল তাঁর পরিবার। মঙ্গলবার শুনানিতে হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চ নির্দেশ দেয়, অভিজিতের ডিএনএ পরীক্ষা করতে হবে। কলকাতার কম্যান্ড হাসপাতাল নমুনা সংগ্রহ করবে। তার পর সেই নমুনা পাঠানো হবে সিএফএসএল (সেন্ট্রাল ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরি)-এর কাছে। সেখানেই নমুনা পরীক্ষা হবে। এক সপ্তাহের মধ্যে সেই রিপোর্ট মুখবন্ধ খামে জমা দিতে হবে আদালতের কাছে। এই পরীক্ষাটি অগ্রাধিকারের সঙ্গে করার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। অভিজিতের দেহ শনাক্ত করার জন্য এই পরীক্ষা জরুরি বলেই জানিয়েছেন বিচারপতিরা। আরও পড়ুনঃ রাশফোর্ডদের বিরুদ্ধে বর্ণবৈষম্যমূলক মন্তব্য, সাউথগেটের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উল্লেখ্য, গত ২ মে বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের দিন কলকাতার কাঁকুড়গাছিতে হিংসায় মৃত্যু হয়েছিল বিজেপি কর্মী অভিজিতের। তাঁর পরিবার অভিযোগ করে, তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা পিটিয়ে মেরে ফেলেছে অভিজিৎকে। গত ২ জুলাই হাইকোর্ট অভিজিতের দ্বিতীয় বার ময়নাতদন্তের নির্দেশ দেয়। কিন্তু আদালতে অভিজিতের দাদা বিশ্বজিৎ সরকার জানান, তাঁর ভাইয়ের মৃতদেহ শনাক্ত করা যাচ্ছে না। তাঁরা নিশ্চিত হয়ে পারছেন না যে মৃতদেহটি অভিজিতেরই। তার পরেই এই নির্দেশ দিল হাইকোর্ট।

জুলাই ১৩, ২০২১
রাজ্য

Police Transfer: রাজ্য পুলিশে বড়সড় বদলি

রাজ্য পুলিশের বেশ কিছু পদে জরুরি ভিত্তিতে বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য বর্ধমানের আইসি বদল। সুখময় চক্রবর্তীকে বর্ধমানের নতুন আইসি করা হয়েছে। পুরনো আইসি পিন্টু সাহাকে বারাসতের কোর্ট ইনস্পেক্টর করে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আরও পড়ুনঃ বিধানসভায় দিলীপ-মদনের রঙিন রসিকতাদক্ষিণ দিনাজপুরের আইসি দিপোজ্জল ভৌমিককে বদলি করে বহরমপুরের কোর্ট ইনস্পেক্টর করা হয়েছে। পীযুষকান্তি সমাদ্দারকে দক্ষিণ দিনাজপুরে পাঠানো হয়েছে। ব্যারাকপুরের আইসি ত্রিগুণা রায়কে পাঠানো হয়েছে ক্যালিম্পঙে।চন্দননগরের আইসি সৌরভ বন্দ্যোপাধ্যায়কে বদল করে তারকেশ্বরে পাঠানো হয়েছে। ডায়মন্ডহারবারের আইসি সায়েদ রাজিউল কবীরকে ভাঙড়ে পাঠানো হয়েছে। মুর্শিদাবাদের বেলডাঙার ফিরোজ আলিকে ডায়মন্ডহারবার রবীন্দ্রনগরে পাঠানো হয়েছে। রায়গঞ্জের সন্দীপন চ্যাটার্জিকে মুর্শিদাবাদ বেলডাঙায় পাঠানো হয়েছে। হাওড়া জিআরপির প্ল্যাটফর্ম ইনস্পেক্টর তপজ্যোতি দাসকে খড়গপুরে সিআই পদে পাঠানো হয়েছে। বাঁকুড়ার দীনেশ মণ্ডলকে ক্যালিম্পঙে পাঠানো হয়েছে। হাড়োয়ার সিআই অনির্বাণ বিশ্বাসকে বারুইপুর নরেন্দ্রপুরে পাঠানো হয়েছে। জলপাইগুড়ির আইসি গৌতম রায়কে ইসলামপুরে কোর্ট ইনস্পেক্টর করে পাঠানো হয়েছে। এছাড়াও আরও বেশ কিছু জায়গায় রাজ্য পুলিশের আইসি ও অন্যান্য কিছু স্তরে বদলি করা হয়েছে।

জুলাই ০৭, ২০২১
কলকাতা

নারদ মামলায় নয়া মোড়, জামিনে স্থগিতাদেশ কলকাতা হাইকোর্টের

ব্যাঙ্কশাল আদালতের জামিনের নির্দেশে স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। নারদা মামলায় ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, মদন মিত্র, শোভন চট্টোপাধ্যায়ের জামিনের নির্দেশের বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টে গিয়েছিল সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আবেদন গ্রহণ করে আদালত জানায়, এই চার নেতাকে বুধবার পর্যন্ত জেল হেপাজতে থাকতে হবে। বুধবারই এই মামলার পরবর্তী শুনানি।সোমবার সকালেই রাজ্যের দুই মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, বিধায়ক মদন মিত্র এবং রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী শোভন চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেপ্তার করে সিবিআই। তাঁদের নিজাম প্যালেসে আনার পরই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হাজির হন সেখানে। শুনানি চলাকালীন তিনি নিজাম প্যালেসেই ছিলেন। সিবিআই দপ্তর, রাজভবনের বাইরে বিক্ষোভ দেখান তৃণমূল নেতা-কর্মীরা। ছোঁড়া হয় ইট।এর পরই হাইকোর্টে আবেদন জানায় সিবিআই। তাঁদের আর্জি, বিভিন্নক্ষেত্রে চাপ তৈরি করা হচ্ছে। এভাবে মামলার শুনানি এ রাজ্যে করা যাবে না। ওদিকে সিবিআইয়ের বিশেষ আদালত চার হেভিওয়েট নেতার জামিন মঞ্জুর করে। জামিনের নির্দেশ আসার পর সেই কপি হাইকোর্টে জমা করে সিবিআই। সিবিআইয়ের আইনজীবীরা আদালতে জানান, শুনানির সময় আদালতে ৪ মন্ত্রী বসেছিলেন। বাইরে থেকে আসা লোকজনও ছিলেন আদালত। এমন অবস্থায় এ রাজ্যে এই মামলা চালানো সম্ভব নয় বলে দাবি করেছিলেন তাঁরা। সূত্রের খবর, বিকেল ৬.৫৫ মিনিটে জামিন অর্ডার পেয়ে গেলেও ফিরহাদ হাকিম-সহ বাকি চারজনকে নিজাম প্যালেস থেকে ছাড়া হয়নি। তাঁদের জানানো হয়েছে, হাইকোর্টে মামলার শুনানি চলছে। সেই রায় না আসা পর্যন্ত তাঁদের মুক্তি দেওয়া যাবে না। সিবিআইয়ের আবেদন গ্রহণ করেছে কলকাতা হাইকোর্ট। এমনকী, ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দালের এজলাসে ভার্চুয়াল শুনানিও হয়। রাত সাড়ে দশটা নাগাদ আদালত নির্দেশ দেয়, নিম্ন আদালতের রায়ের উপর স্থগিতাদেশ জারি করা হল। ফলে বুধবার পর্যন্ত চার জনকে জেল হেপাজতে থাকতে হবে। ইতিমধ্যে প্রেসিডেন্সি জেলের একটি ওয়ার্ডে তাঁদের রাখার বন্দোবস্ত করা হয়েছে।

মে ১৮, ২০২১
কলকাতা

সারাদিন তৃণমূল কর্মীদের তাণ্ডব, আইনশৃঙ্খলা নিয়ে ফের টুইট রাজ্যপালের

রাজ্যের আইনশৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ রাজ্য ও কলকাতা পুলিশ। পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ট্যাগ করে এই ট্যুইট করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। প্রসঙ্গত ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, মদন মিত্রকে সিবিআই গ্রেপ্তার করার পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্যপালের এই টুইট।রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় সোমবার সিবিআই-র রাজ্যের মন্ত্রী, বিধায়কদের গ্রেপ্তারির পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে একাধিক টুইট করেছেন। আর সেই টুইটে তিনি স্পষ্ট লিখেছেন রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছে। সম্পূর্ণ নৈরাজ্য চলছে। রাজ্য পুলিশ ও কলকাতা পুলিশ কোনও উপযুক্ত ব্যবস্থা নিচ্ছে না। পরিস্থিতি খুবই উদ্বেগজনক। এই টুইট তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ট্যাগ করেছেন। তিনি তাঁর টুইটে লিখেছেন, এই অস্থির পরিস্থিতিকে কঠোর হাতে নিয়ন্ত্রণ করা দরকার। এর পরের টুইটে রাজ্যপাল লেখেন, সম্পূর্ণ বেআইনি পরিস্থিতি ও নৈরাজ্য চলছে। পুলিশ ও প্রশাসন নীরব রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীকে ট্যাগ করে এই টুইটে রাজ্যপাল লেখেন, আমি আশা করবো প্রশাসন রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুনরুদ্ধারে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবে। এই পরিস্থিতি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ও সাংবিধানিক বিপর্যয়ের ঘটনা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে।এখন সময় হয়েছে মুহূর্তে মুহূর্তে সৃষ্টি হওয়া বিস্ফোরক পরিস্থিতিকে দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা। এর পর সিবিআই অফিসার সামনে তৃণমূল সমর্থকদের বিক্ষোভের সমালোচনা করেন রাজ্যপাল। তিনি লেখেন, এই পরিস্থিতিতে রাজ্য পুলিশ ও কলকাতা পুলিশের দর্শকের ভূমিকা উদ্বেগজনক। রাজ্য প্রশাসনকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার অনুরোধ জানাচ্ছি।

মে ১৭, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

সাংবাদিক খুন মামলায় মুক্তি গুরমিত রাম রহিমের! তবু জেলেই থাকতে হবে কেন?

সাংবাদিক হত্যা মামলায় বড় স্বস্তি পেলেন ডেরা সচ্চা সৌদার প্রধান গুরমিত রাম রহিম সিং। ২০০২ সালের এক সাংবাদিক খুনের ঘটনায় সাত বছর আগে তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে সিবিআই আদালত এবং যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা ঘোষণা করা হয়েছিল। তবে এবার সেই মামলায় তাঁকে অব্যাহতি দিল উচ্চ আদালত। যদিও এই রায়ের পরও জেল থেকে মুক্তি পাচ্ছেন না তিনি। কারণ দুটি ধর্ষণ মামলায় ইতিমধ্যেই কুড়ি বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছেন এই স্বঘোষিত ধর্মগুরু।রাম রহিমের আইনজীবী জিতেন্দর খুরানা জানান, উচ্চ আদালত সাংবাদিক রামচন্দর ছত্রপতি হত্যা মামলায় তাঁর মক্কেলকে অব্যাহতি দিয়েছে। ২০১৯ সালে সিবিআই আদালত এই মামলায় রাম রহিম, নির্মল সিং এবং কৃষ্ণান লালকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা দিয়েছিল।রামচন্দর ছত্রপতি পুরা সাচ নামে একটি সংবাদপত্র চালাতেন। ২০০২ সালের অক্টোবরে তাঁকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এর কিছুদিন আগে তাঁর পত্রিকায় একটি বেনামী চিঠি প্রকাশিত হয়েছিল। সেই চিঠিতে ডেরা সচ্চা সৌদার সদর দপ্তরে নারী অনুসারীদের উপর যৌন নির্যাতনের অভিযোগ তোলা হয়েছিল।তবে এই মামলায় অব্যাহতি পেলেও জেল থেকে এখনই বেরোতে পারছেন না রাম রহিম। ২০১৭ সালে দুই নারী অনুসারীকে ধর্ষণের মামলায় তাঁকে কুড়ি বছরের কারাদণ্ড দেয় আদালত। সেই সাজা ভোগ করার কারণেই বর্তমানে রোহতকের সুনারিয়া জেলে রয়েছেন ৫৭ বছরের এই ধর্মগুরু।যদিও সরকারি নথিতে তিনি জেলবন্দি থাকলেও বিভিন্ন সময়ে প্যারোলে মুক্তি পাওয়াকে কেন্দ্র করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। গত জানুয়ারিতেই তিনি চল্লিশ দিনের জন্য প্যারোলে মুক্তি পান। হরিয়ানার বিজেপি সরকার তাঁর এই ছুটি মঞ্জুর করেছিল।রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে তাঁকে বিশ দিনের প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল। এরপর এপ্রিল মাসে আবার একুশ দিনের জন্য প্যারোল দেওয়া হয়। একই বছরের আগস্ট মাসে আবার চল্লিশ দিনের জন্য মুক্তি পান তিনি।এখানেই শেষ নয়। হরিয়ানা এবং পাঞ্জাবের মতো রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের সময়ও একাধিকবার তাঁকে প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। হিসাব বলছে, ২০২০ সাল থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত পাঁচ বছরে মোট তিনশো ছাব্বিশ দিন প্যারোলে জেলের বাইরে ছিলেন রাম রহিম।

মার্চ ০৭, ২০২৬
রাজ্য

বাংলায় এসে বিস্ফোরক মন্তব্য রাষ্ট্রপতির! ‘মমতা হয়তো আমার উপর রাগ করেছেন’

ভোটের আগে বাংলায় রাষ্ট্রপতির সফর ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। সভাস্থল নিয়ে রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তাঁর অভিযোগ, অনুষ্ঠানের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা থাকা সত্ত্বেও রাজ্য সরকার অনুমতি দেয়নি। সেই কারণেই শেষ পর্যন্ত অন্য জায়গায় সভা করতে হয়েছে।শনিবার শিলিগুড়ি মহকুমার গোঁসাইপুরে নবম আন্তর্জাতিক সাঁওতাল সম্মেলনে যোগ দেন রাষ্ট্রপতি। তবে তিনি মঞ্চে ওঠার পর দেখা যায় দর্শকাসনে অনেক চেয়ারই ফাঁকা পড়ে রয়েছে। বিষয়টি নজরে আসতেই তিনি প্রশ্ন তোলেন, এত চেয়ার ফাঁকা কেন। তাঁর সন্দেহ, কেউ হয়তো বাধা দিয়েছে।উদ্যোক্তাদের দাবি, প্রথমে ঠিক হয়েছিল এই সম্মেলন হবে বিধাননগরে। কিন্তু পরে একাধিকবার সভাস্থল বদল করতে হয়। শেষ পর্যন্ত নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে বাগডোগরা বিমানবন্দরের কাছে গোঁসাইপুরে সভা করার অনুমতি দেয় প্রশাসন। তবে আয়োজকদের অভিযোগ, অনেক আমন্ত্রিত অতিথি নিরাপত্তা পাশ না পাওয়ায় অনুষ্ঠানে ঢুকতে পারেননি। পুলিশ তাদের আটকে দেয় বলে অভিযোগ।সভা শেষে রাষ্ট্রপতি সেখানেই থেমে থাকেননি। তিনি শিলিগুড়ি মহকুমার বিধাননগরে যান, যেখানে প্রথমে সভা হওয়ার কথা ছিল। সেখানে গিয়ে গোটা এলাকা ঘুরে দেখেন এবং বলেন, তিনি আসলে এখানেই সভা করতে চেয়েছিলেন। জায়গাও যথেষ্ট ছিল। তবে কেন রাজ্য সরকার অনুমতি দিল না, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, তিনি তাঁর ছোট বোনের মতো। তবে হয়তো কোনও কারণে তিনি তাঁর উপর রাগ করেছেন, সেই কারণেই সভা করতে দেওয়া হয়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি।এই অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বা রাজ্যের কোনও মন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন না। এ নিয়েও মন্তব্য করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, সাধারণত রাষ্ট্রপতি কোনও রাজ্যে গেলে মুখ্যমন্ত্রী বা মন্ত্রিসভার কেউ তাঁকে স্বাগত জানান। সেটাই নিয়ম এবং প্রোটোকল।শেষ পর্যন্ত বিধাননগরে পূর্ব নির্ধারিত জায়গায় একটি শালগাছ লাগিয়ে বাগডোগরা বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা দেন রাষ্ট্রপতি।অন্যদিকে শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব জানান, রাজ্যের পক্ষ থেকে তিনিই রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানিয়েছেন। জেলা শাসক এবং পুলিশ কমিশনারও উপস্থিত ছিলেন। তাঁর কথায়, এর আগেও রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রণব মুখোপাধ্যায় যখন এসেছিলেন, তখনও তিনি তাঁকে স্বাগত জানিয়েছিলেন। সভাস্থল নিয়ে যে সমস্যা তৈরি হয়েছিল, তা মূলত নিরাপত্তা সংক্রান্ত কারণেই হয়েছে বলেও জানান তিনি।

মার্চ ০৭, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

কাইফকে নিয়ে তীব্র কটাক্ষ আমিরের, টেনে আনলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নাম

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালের আগে নতুন করে বিতর্ক ছড়ালেন পাকিস্তানের প্রাক্তন পেসার মহম্মদ আমির। এর আগে দুবার তিনি ভারতের বিশ্বকাপ যাত্রা নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন। কিন্তু দুবারই তাঁর কথা ভুল প্রমাণিত হয়েছে। এবার দলকে নয়, সরাসরি ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার মহম্মদ কাইফকে আক্রমণ করলেন তিনি। কাইফকে কটাক্ষ করতে গিয়ে টেনে আনলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নামও।রবিবার নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলবে ভারতীয় দল। তার আগেই আমিরের মন্তব্য নিয়ে শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক। এর আগে তিনি দাবি করেছিলেন, ভারত সেমিফাইনালে উঠতে পারবে না। পরে আবার বলেন, ভারত ফাইনালেও যেতে পারবে না। কিন্তু সেই দুই ভবিষ্যদ্বাণীই ভুল প্রমাণিত হয়। এরপর অনেকের কাছেই সমালোচনার মুখে পড়তে হয় তাঁকে।এই প্রসঙ্গে কাইফ বলেছিলেন, আমিরকে এত গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তাঁর মতে, পাকিস্তানের ক্রিকেটও এখন অনেক পিছিয়ে রয়েছে। কাইফের এই মন্তব্যে বেজায় চটে যান আমির এবং সরাসরি তাঁকে আক্রমণ করেন।আমির বলেন, তিনি কাইফের ক্রিকেট কেরিয়ার সম্পর্কে খুব বেশি জানতেন না। পরে খোঁজ নিয়ে দেখেছেন, কাইফ নাকি আইপিএলে মাত্র উনত্রিশটি ম্যাচ খেলেছেন এবং তাঁর স্ট্রাইক রেটও খুব বেশি নয়। তাঁর দাবি, তিনি নিজে তিনশোরও বেশি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন এবং পারফরম্যান্সের জোরেই ক্রিকেট খেলেছেন। কাইফকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, শুধু ফিল্ডিংয়ের জন্যই তিনি ভারতীয় দলে সুযোগ পেয়েছিলেন। পাশাপাশি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নাম উল্লেখ করে বলেন, কাইফের উচিত তাঁকে ধন্যবাদ জানানো।তবে কাইফ যে ভারতীয় দলের অন্যতম সেরা ফিল্ডার ছিলেন, তা ক্রিকেট মহলে সকলেই মানেন। অনেক ভারতীয় ক্রিকেটারই স্বীকার করেছেন যে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তাঁরা জাতীয় দলে সুযোগ পেয়েছিলেন।এই বিতর্কে মুখ খুলেছেন ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার নভজ্যোৎ সিং সিধুও। তিনি আমিরকে তীব্র কটাক্ষ করে বলেন, এই ধরনের মানুষদের কথা বেশি গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তাঁর মতে, শুধু ভবিষ্যদ্বাণী করে ম্যাচ জেতা যায় না। মাঠে নেমে লড়াই করেই ম্যাচ জিততে হয়। সিধুর কথায়, যারা বেশি কথা বলে তারা অনেক সময়ই বাস্তবে কিছু দেখাতে পারে না।

মার্চ ০৭, ২০২৬
বিদেশ

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার মাঝেই বড় সিদ্ধান্ত ইরানের, প্রতিবেশীদের কাছে ক্ষমা চাইল তেহরান

মধ্যপ্রাচ্যে টানা উত্তেজনার মাঝেই আচমকা সুর নরম করল ইরান। শনিবার দেশের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান জানিয়ে দিলেন, প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলির উপর আর নতুন করে হামলা চালানো হবে না। তাঁর এই ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।এক ভাষণে পেজেশকিয়ান বলেন, দেশের অস্থায়ী নেতৃত্ব পরিষদ সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে প্রতিবেশী দেশগুলির উপর আর নতুন হামলা চালানো হবে না। তিনি স্পষ্ট করে জানান, যদি ইরানের উপর সরাসরি আক্রমণ না হয়, তাহলে তেহরানও আর কোনও হামলা করবে না।এর পাশাপাশি সাম্প্রতিক হামলার জন্য প্রতিবেশী দেশগুলির কাছে ক্ষমাও চান তিনি। তাঁর বক্তব্য, অন্য কোনও দেশকে আক্রমণ করার ইরানের কোনও ইচ্ছা নেই। তবে একই সঙ্গে তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, ইরান কখনও আত্মসমর্পণ করবে না।উল্লেখ্য, গত আটাশে ফেব্রুয়ারি আমেরিকা এবং ইজরায়েলের যৌথ হামলার পর থেকেই পালটা আক্রমণ শুরু করে ইরান। প্রথমে মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলিকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হচ্ছিল। পরে সেই হামলার মাত্রা আরও বাড়তে থাকে।এরপর ইরাকের পাশাপাশি কুয়েত, সৌদি আরব, আরব আমিরশাহী, বাহরিন, ওমান এবং জর্ডনের মতো প্রতিবেশী দেশগুলিতেও হামলার অভিযোগ ওঠে। এই পরিস্থিতিতে সৌদি আরবও পালটা হামলার হুঁশিয়ারি দেয়।বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, টানা হামলার কারণে ইরানের সঙ্গে প্রতিবেশী দেশগুলির সম্পর্ক দ্রুত খারাপ হতে শুরু করেছিল। অনেক বন্ধু রাষ্ট্রই ক্রমে বিরোধী অবস্থানে চলে যাচ্ছিল। তাই পরিস্থিতি আরও জটিল হওয়ার আগে কূটনৈতিকভাবে চাপ কমাতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে তেহরান বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ০৭, ২০২৬
কলকাতা

আবার কি বঙ্গভঙ্গের চেষ্টা? বিজেপিকে নিশানা করে বড় অভিযোগ মমতার

কলকাতায় ধরনা মঞ্চ থেকে আবারও বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, বাংলাকে ভাগ করার পরিকল্পনা করছে বিজেপি। তবে তৃণমূল কংগ্রেস যতদিন রয়েছে, ততদিন বাংলার এক ইঞ্চি জমিও কেউ ভাগ করতে পারবে না বলেই হুঁশিয়ারি দেন তিনি।মমতা বলেন, তিনি সম্প্রতি একটি বার্তা দেখেছেন যেখানে বলা হয়েছে বাংলা এবং বিহারকে ভাগ করে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এই প্রসঙ্গ তুলে তিনি অভিযোগ করেন, বাংলাকে ভাগ করার চক্রান্ত চলছে।ধরনা মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমি কাল একটি বার্তা দেখলাম। সেখানে বলা হচ্ছে বাংলা এবং বিহারকে ভাগ করে নাকি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করা হবে। ওদের আসল উদ্দেশ্য বাংলাকে ভাগ করা। আবারও বঙ্গভঙ্গ করার চেষ্টা চলছে।এর পাশাপাশি বিহারের প্রসঙ্গও টানেন তিনি। মমতার দাবি, আগে বিহারকে ভাগ করে ঝাড়খণ্ড আলাদা করা হয়েছিল। এখন আবার বিহারকেও নতুন করে ভাগ করার চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, এই ধরনের পরিকল্পনার বিরুদ্ধে বাংলার মানুষকে সতর্ক থাকতে হবে।মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিজেপির বিরুদ্ধে বাংলাকে ভাগ করার অভিযোগ তুলে তিনি কার্যত রাজনৈতিক লড়াই আরও তীব্র করে দিলেন বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

মার্চ ০৭, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ফাইনালের আগে বড় প্রশ্ন! দলে থাকবেন তো অভিষেক? পাশে দাঁড়ালেন কপিল দেব ও রবি শাস্ত্রী

চলতি কুড়ি ওভারের বিশ্বকাপে অভিষেক শর্মার পারফরম্যান্স নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার আগে ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে তিনি ছিলেন অন্যতম ভরসার নাম। তাঁর ছক্কার ঝড় দেখার অপেক্ষায় ছিলেন অনেকেই। কিন্তু বিশ্বকাপে এখনও পর্যন্ত সেই আগ্রাসী ব্যাটিং খুব একটা দেখা যায়নি। তাই ফাইনালের আগে প্রশ্ন উঠছে, প্রথম একাদশে কি থাকবেন অভিষেক?তবে ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটারদের অনেকেই তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছেন। বিশ্বজয়ী অধিনায়ক কপিল দেব মনে করছেন, দলের উচিত অভিষেকের উপর ভরসা রাখা। তাঁর কথায়, দলের পরিচালকদের খেলোয়াড়ের উপর আস্থা রাখা দরকার। একই সঙ্গে অভিষেকেরও নিজের উপর বিশ্বাস রাখা উচিত। তিনি বলেন, এখনও একটি ম্যাচ বাকি রয়েছে, সেটাই ফাইনাল। তাই শেষ ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ রয়েছে।এই বিশ্বকাপে অভিষেক এখনও নিজের সেরা ছন্দ খুঁজে পাননি। ফর্ম, ফিটনেস এবং আত্মবিশ্বাস সব দিক থেকেই তিনি কিছুটা পিছিয়ে রয়েছেন বলে মনে করছেন অনেকেই। জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে একটি অর্ধশতরান করলেও সেই ইনিংস খুব বেশি আত্মবিশ্বাসী ছিল না বলে মত অনেকের। সেমিফাইনালেও তিনি মাত্র নয় রান করে আউট হন।ভারতের প্রাক্তন কোচ রবি শাস্ত্রীও মনে করছেন, দলে কোনও পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই। তাঁর মতে, অভিষেককে নিজের প্রতিভার উপর ভরসা রাখতে হবে। তিনি বলেন, নিজের দুর্বলতা নিয়ে বেশি চিন্তা না করে শক্তির জায়গাগুলোর উপর আস্থা রাখা দরকার। মাঠে নেমে স্বাভাবিক খেলাটা খেললেই হয়তো এই ম্যাচেই তাঁর সেরা ইনিংস দেখা যেতে পারে। তবে শট নির্বাচনের ক্ষেত্রে আরও সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন শাস্ত্রী।ভারতীয় দলের পরিচালকরাও এখনও অভিষেকের উপর আস্থা রাখছেন বলে জানা গিয়েছে। রান না পেলেও তাঁকে সমর্থন করছেন কোচ গৌতম গম্ভীর এবং অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। ফাইনালের দলেও অভিষেক থাকতে পারেন বলেই ইঙ্গিত মিলছে। তাঁর পাশে থাকবেন ভাল ফর্মে থাকা সঞ্জু স্যামসন। দলের তরফে জানানো হয়েছে, প্রত্যেক খেলোয়াড়ের দিকেই নজর রাখা হচ্ছে এবং অভিষেকের উপর দলের পূর্ণ আস্থা রয়েছে।

মার্চ ০৭, ২০২৬
দেশ

বড় মোড় লোকসভায়! স্পিকার ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনাস্থায় কি বিরোধীদের পাশে তৃণমূল?

লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনার জন্য আগেই নোটিস দিয়েছিল বিরোধী শিবির। এবার বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্যায় শুরু হতেই সেই বিষয়টিকে সামনে রেখেই কৌশল সাজাতে শুরু করেছে বিরোধী জোট। রাজনৈতিক মহলের সূত্রের খবর, এই পর্বে এত দিন একলা চলার নীতি নেওয়া তৃণমূল কংগ্রেসও বিরোধী শিবিরের পাশে দাঁড়াতে পারে।সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে সংসদের বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্যায়। এই অধিবেশনেই লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে সরব হতে চলেছে বিরোধীরা। যদিও কেন্দ্রীয় সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু আগেই জানিয়েছিলেন, অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্ব শুরু হওয়ার পর অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে ভোটাভুটি হতে পারে।সূত্রের খবর, সেই ভোটাভুটিতে তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদেরা অনাস্থা প্রস্তাবের পক্ষেই ভোট দিতে পারেন। যদিও অধিবেশনের প্রথম পর্যায়ে এই অনাস্থা প্রস্তাবের নোটিস দেওয়া হয়েছিল বিরোধীদের পক্ষ থেকে। স্পিকার ওম বিড়লা শাসক দলের প্রতি পক্ষপাতমূলক আচরণ করছেন এই অভিযোগ তুলে প্রতিবাদ জানিয়েছিল বিরোধী জোট। সেই নোটিসে মোট একশো কুড়ি জন বিরোধী সাংসদের স্বাক্ষর ছিল। পরে সেই নোটিস খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেন স্পিকার নিজেই।তবে সেই সময় এই প্রস্তাব থেকে দূরত্ব বজায় রেখেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। অনাস্থা প্রস্তাবের নোটিসে স্বাক্ষর করেননি তৃণমূলের সাংসদেরা। সে সময় দলের অন্যতম শীর্ষ নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, তাদের স্বাক্ষর করতে কোনও আপত্তি ছিল না। কিন্তু তার আগে কংগ্রেসকে একটি চিঠি পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছিল তৃণমূল। সেই চিঠির ভিত্তিতে স্পিকার যদি কোনও পদক্ষেপ না নেন, তার পরেই অনাস্থা প্রস্তাব আনার কথা বলেছিল তারা।কিন্তু এবার পরিস্থিতি বদলাতে পারে বলেই রাজনৈতিক মহলের ধারণা। যদিও প্রস্তাবে স্বাক্ষর করেনি তৃণমূল, তবু অনাস্থা ভোটাভুটির সময় বিরোধী জোটের পক্ষেই দাঁড়াতে পারে রাজ্যের শাসকদল। ফলে লোকসভায় এই বিষয়টি ঘিরে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হওয়ার জল্পনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ০৭, ২০২৬
কলকাতা

বেকারদের জন্য বড় চমক! ঘোষণার আগেই ঢুকছে ভাতা, আজ থেকেই টাকা পাচ্ছেন যুবক-যুবতীরা

বাজেট ঘোষণার সময়েই জানানো হয়েছিল, রাজ্যের মাধ্যমিক পাশ করা অথচ এখনও চাকরি না পাওয়া যুবক-যুবতীদের জন্য নতুন ভাতা চালু করবে রাজ্য সরকার। যুবসাথী প্রকল্পের মাধ্যমে প্রতি মাসে দেড় হাজার টাকা করে দেওয়া হবে এই ভাতা।প্রথমে জানা গিয়েছিল, চলতি বছরের অগস্ট মাস থেকে এই টাকা পাওয়া যাবে। পরে সেই সময়সীমা অনেকটাই এগিয়ে এনে ঘোষণা করা হয়, ১ এপ্রিল থেকেই ভাতা দেওয়া শুরু হবে। তবে শনিবার আরও বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, নির্ধারিত সময়ের আগেই শুরু হচ্ছে এই ভাতা। অর্থাৎ ১ এপ্রিল নয়, শনিবার ৭ মার্চ থেকেই যুবসাথীর টাকা পাওয়া শুরু করবেন বেকার যুবক-যুবতীরা।কলকাতার মেট্রো চ্যানেলে ধরনা মঞ্চ থেকে এই ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ১ এপ্রিল থেকে যেটা ঢোকার কথা ছিল সেটা আজ থেকেই ঢুকবে। যুবসাথীর টাকা আজ থেকেই পাবেন। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা ফেব্রুয়ারি থেকেই দেওয়া শুরু হয়েছে। আমরা যা বলি, তা করি।যুবসাথী প্রকল্পে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে প্রায় পাঁচ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে রাজ্য সরকার। আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকেই গোটা রাজ্যে বিপুল সাড়া পাওয়া গেছে। অফলাইন এবং অনলাইন দুই ভাবেই লাখ লাখ আবেদন জমা পড়েছে।অন্যদিকে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পেও সম্প্রতি ভাতার পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে। রাজ্যের মহিলারা এখন আগের থেকে আরও পাঁচশো টাকা বেশি পাচ্ছেন। তবে এই বিষয়টি নিয়েও রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র চাপানউতোর চলছে। বিরোধীরা অভিযোগ তুলেছে, ভোটের আগে ভাতা দিয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে রাজ্য সরকার। আবার বিজেপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, তারা ক্ষমতায় এলে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ভাতা তিন হাজার টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হবে।এই পরিস্থিতিতে বেকার ভাতা আগেভাগে চালু হওয়ায় রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ০৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal